1. admin@durnitirsondhane.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের তদন্তে এবার ঢাকার টিম

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫ বার পঠিত
চেক জালিয়াতির তদন্ত
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের তদন্তে এবার ঢাকার টিম

উৎপল ঘোষ,(ক্রাইম রিপোর্টার):যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতিসহ নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত এবার শুরু হয়েছে। তদন্ত করতে বুধবার বোর্ডে আসেন ঢাকার পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকসহ কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত চলছে বলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়।

সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর যশোর শিক্ষা বোর্ডে চেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। চেক জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ১১ সদস্য জরুরি সভা করে হিসাব সহকারী আব্দুস সালামকে শোকজ করে।

১৮ অক্টোবর দুদক মামলা করে ওই সময়কার বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব আলীআর রেজা, হিসাব সহকারী আব্দুস সালামসহ ৫ জনের নামে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চেয়ারম্যান সচিবকে ও এসডি করা হয়।

চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারী সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবরণী গঠন করে বোর্ড কর্তৃপক্ষ । ২২ ফেব্রুয়ারি হিসাব সহকারী সালামকে শোকজ করা হয়। ১০ কর্মদিবসে জবাব দিতে বলা হয় তাকে। সুচতুর কালক্ষেপণ করেন তিনি। এসময়ে সালাম জবাব না দিয়ে ৬ মার্চ সময় প্রার্থনা করেন। ১০ মার্চ শোকজের জবার দেন। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ ২৭ এপ্রিল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্রকে আহবায়ক করে আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটি ২৮ এপ্রিল সালামকে শোকজ করে। ১০ কর্ম দিবসে জবাব দিতে বলা হয়। ১৮ মে সালাম শোকজের জবাব দিলে সেটা সন্তোষ জনক হয় না। এরপর বোর্ড থেকে সালামের কাছে চিঠি পাঠানো হয়, তাতে বলা হয় কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। এর কোন জবাব সালাম না দেয়ায় ১৪ জুলাই বোর্ড কর্তৃপক্ষ সালামকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে। বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানান এতকিছুর পরও কেন চেক জালিয়াতি ঘটনার কিছুই হচ্ছে না,প্রকৃত ঘটনার সাথে জড়িত যারা তাদের এখনো তদন্তে আনা হয়নি।

সালামকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার পর চেকজালিয়াতির ঘটনায় তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। এতে বোর্ডের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নির্দেশে ঢাকার পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমত পীরসহ কর্মকর্তারা বোর্ডে তদন্তে আসেন। চেয়ারম্যান, সচিব, অডিট অফিসার, হিসাব শাখার উপপরিচালকরে সাথে নানা বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন। হিসাবের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বোর্ড কর্মকর্তারা। এ কারনে বাইরের কাউকে চেয়ারম্যানের রুমে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

তদন্ত কর্মকর্তার বিষয়ে প্রশ্ন করলে হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক এমদাদুল হক কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন চেয়ারম্যান স্যারের সাথে কথা বলতে হবে। চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীবের সাথে কথা বললে তিনি জানান,তদন্ত কর্মকর্তার নাম বলা নিষেধ। এতটুকু বলতে পারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বোর্ডে সকল অনিয়ম, দুর্নীতির তদন্ত করতে কর্মকর্তারা এসেছেন। আমরা চাই এ তদন্তের মাধ্যমে চেকজালিয়াতির ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হয়ে তাদের শাস্তি হোক।

এ ব্যাপারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমত পীর জানান, বোর্ডে তদন্তের বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। তদন্ত শেষ করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার পর জানা যাবে। তিনি ছাড়া বেশ কিছু কর্মকর্তা তদন্তে এসেছেন প্রশ্ন করলে তিনি কোন জবাব দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Durnitirsondhane
Theme Customized By Theme Park BD